সংসদে অগ্নিঝরা কণ্ঠস্বর আশরাফ উদ্দিন নিজান


প্রকাশিত: ০৪:৩৬ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান বাংলাদেশের একজন পরিচিত রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতা। তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিজয়ী হন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবেও তাঁর নাম সংবাদে এসেছে।
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান কে?
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যুক্ত লক্ষ্মীপুর-৪ আসন, যার অন্তর্ভুক্ত রামগতি ও কমলনগর উপজেলা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর একটি পরিচিত অবস্থান তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে নির্বাচিত হন।
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের জন্ম লক্ষ্মীপুরে। তাঁর জন্মতারিখ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন উৎসে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, তাই নির্ভরযোগ্য সরকারি উৎস ছাড়া নির্দিষ্ট জন্মতারিখ উল্লেখ না করাই নিরাপদ।
তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠার সঙ্গে লক্ষ্মীপুরের মানুষের জীবন ও স্থানীয় পরিবেশের সম্পর্ক রয়েছে। পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং সেখান থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্ররাজনীতি
আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় ছিল ছাত্ররাজনীতি। বিভিন্ন জীবনীমূলক সূত্রে তাঁকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হয়।
ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধীরে ধীরে তিনি জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে পরিচিত হয়ে ওঠেন এবং বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন।
বিএনপির রাজনীতিতে উত্থান
আশরাফ উদ্দিন নিজান বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তাঁকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহশিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন।
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আশরাফ উদ্দিন নিজান। এর মাধ্যমে তাঁর জাতীয় সংসদীয় রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ ঘটে।
সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিষয় জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পান।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আবারও জয়
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি। ফলে টানা দুই মেয়াদে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান।
এই সময় তাঁর রাজনৈতিক পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয় এবং সংসদীয় কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা বাড়তে থাকে।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান
আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন।
এই দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন নীতি, প্রশাসনিক বিষয় এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
রাজনৈতিক আন্দোলন ও বিরোধী দলের ভূমিকা
বিরোধী দলের রাজনীতিতে থাকাকালে আশরাফ উদ্দিন নিজান বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। ২০১১ সালের একটি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তিনি বিএনপির তৎকালীন চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনাটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি।
লক্ষ্মীপুর-৪: রামগতি ও কমলনগরের রাজনীতি
আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক পরিচয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে লক্ষ্মীপুর-৪ আসন। এই আসনের অন্তর্ভুক্ত রামগতি ও কমলনগর উপজেলা।
স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকায় এই দুই উপজেলার বিএনপির সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব রয়েছে।
তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আলোচনায় মেঘনা নদীর ভাঙন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় অবকাঠামোসহ বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় উঠে আসে।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়
দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হন আশরাফ উদ্দিন নিজান।
নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আশরাফুর রহমান হাফিজউল্যা পান ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট।
এই জয়ের মাধ্যমে তিনি আবার জাতীয় সংসদে ফিরে আসেন।
জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব
২০২৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আশরাফ উদ্দিন নিজানকে জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হুইপ হিসেবে সংসদীয় কার্যক্রমে দলীয় সমন্বয় এবং সংসদ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়।
তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই সংসদীয় দায়িত্ব।
সংসদে আশরাফ উদ্দিন নিজানের বক্তব্য
সংসদীয় রাজনীতিতে আশরাফ উদ্দিন নিজান বিভিন্ন জাতীয় ও রাজনৈতিক ইস্যুতে বক্তব্য দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বক্তব্যে দুর্নীতি, প্রশাসনিক জবাবদিহি, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের মতো বিষয় উঠে এসেছে।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “কোনো পরাশক্তি, সে যত বড় শক্তিশালী দেশই হোক না কেন, বাংলাদেশ আর মাথা নত করবে না।”
এ বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জাতীয় স্বার্থের ওপর তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের একটি দিক প্রকাশ পায়।
বিরোধী মত ও রাজনৈতিক সহনশীলতা নিয়ে বক্তব্য
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিরোধী মত নিয়ে আশরাফ উদ্দিন নিজানের বক্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “মানুষ আর হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখতে চায় না।”
রাজনীতিতে ক্ষমতার পরিবর্তন স্বাভাবিক এবং বিরোধী মতকে সম্মান করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন।
দলীয় শৃঙ্খলা ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান
নিজ দলের নেতাকর্মীদের অপরাধের বিষয়েও আশরাফ উদ্দিন নিজান কঠোর অবস্থানের কথা বলেছেন। ২০২৬ সালের মে মাসে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনে জড়িতদের বিরুদ্ধে দল ও প্রশাসন কঠোর হবে এবং অপরাধী যে-ই হোক, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এ বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে আলোচিত হয়েছে।
রাজনৈতিক দর্শন ও জনসম্পৃক্ততা
আশরাফ উদ্দিন নিজান তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্যে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং জনস্বার্থের রাজনীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। ২০২৫ সালের একটি বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা জনগণের রাজনীতি করি।”
তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা জাতীয় রাজনীতিতে তুলে ধরার বিষয়টি তাঁর কর্মকাণ্ডের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।
ব্যক্তিগত জীবন
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও বিস্তারিত তথ্য অনলাইনে তুলনামূলকভাবে সীমিত। তাই যাচাই করা যায় না এমন ব্যক্তিগত তথ্য, পারিবারিক সম্পর্ক বা সম্পদের বিবরণ যুক্ত না করাই তথ্যনির্ভর জীবনী লেখার ক্ষেত্রে উপযুক্ত।
আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক পরিচিতি
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর পরিচয়ের সঙ্গে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে যুক্ত—
- বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘ সম্পৃক্ততা
- লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা
- ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান
- ২০২৬ সালে আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত
- জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবে দায়িত্ব
- রামগতি ও কমলনগরের স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার
আশরাফ উদ্দিন নিজানের রাজনৈতিক জীবনকে কয়েকটি পর্যায়ে দেখা যায়—ছাত্ররাজনীতি, বিএনপির সাংগঠনিক রাজনীতিতে উত্থান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন, বিরোধী রাজনীতির সময় আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং ২০২৬ সালে আবার জাতীয় সংসদে প্রত্যাবর্তন।
দুই দশকের বেশি সময় ধরে লক্ষ্মীপুর-৪ কেন্দ্রিক রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বড় অংশ তৈরি হয়েছে এই এলাকার জনগণ ও স্থানীয় রাজনীতিকে ঘিরে।
উপসংহার
এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতির একজন অভিজ্ঞ বিএনপি নেতা। ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার পর ২০২৬ সালের নির্বাচনে আবারও লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে ফিরেছেন।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বর্তমান হুইপের দায়িত্ব—তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রয়েছে। তাঁর বক্তব্যে জাতীয় স্বার্থ, রাজনৈতিক সহনশীলতা, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির বিষয়গুলোও উঠে এসেছে।
তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জীবনী
- সংসদে অগ্নিঝরা কণ্ঠস্বর আশরাফ উদ্দিন নিজান
- খাটের বক্সে ৯০ হাজার ইয়াবা, ৩৫ লাখ টাকা উদ্ধার
- প্রথম দিনে টাকা ফেরত পেলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ৬ হাজার গ্রাহক
- বিগ ব্যাশে খেলতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন চ্যাপম্যান
- নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার মানহানির মামলা
- মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব রাশিয়ার
- জাতিসংঘ অধিবেশনে আজ সভাপতির দায়িত্ব নেবেন খলিলুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিফাতের জামিন নামঞ্জুর
- ‘তিন নাম্বার জন ডান’, পরীমণির কোলে নবজাতক, রহস্য কী?
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তুলছেন গ্রাহকরা, জরুরি প্রয়োজনে মিলছে আগাম সুবিধা
- নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলে কঙ্গনা রানাওয়াতের কটাক্ষ
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- প্রতিপক্ষের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশকে ফোন, নিজেই ফাঁসলেন যুবক
- রুহুল কবীর রিজভী কে? শিক্ষা, রাজনৈতিক জীবন ও বর্তমান দায়িত্ব
- গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত
- কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি
- রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!
- টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় কি লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? জানুন বিজ্ঞান কী বলে
- সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিবার পাবে বিশেষ অনুদান


