সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা এখনো কাটেনি: প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জামায়াতের উদ্বেগ


প্রকাশিত: ০৬:২৯ ৫ জানুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো পুরোপুরি সৃষ্টি হয়নি বলে মনে করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। দলটির দাবি, দেশের প্রশাসনের ভেতরে কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছেন—এমন অভিযোগ বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের নানা স্থানে এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যার ঘটনা ঘটছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এতে নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অভিমত দেন যে, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন, তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতা অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
জামায়াতের নেতারা বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিদায় ঘটেছে। দেড় হাজার শহীদ এবং ত্রিশ হাজারেরও বেশি আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশকে কোনো চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেওয়া যাবে না।
বৈঠক থেকে নির্বাচন কমিশন, সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়, যাতে জনগণের আস্থা ও ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকে।
একই সঙ্গে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - রাজনীতি
- রোনালদোকে নভেম্বরেই পর্তুগাল দলে ফেরাতে চান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি
- নেপালে ফের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু
- ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন ভাস্কর্য ‘অরেঞ্জ প্লেগ’
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই, বেকায়দায় নিম্নবিত্তরা
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন




