• বুধবার , ২০ মে, ২০২৬ | ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে তারেক রহমানের ভর্তি দেখেছিলেন ওয়ালী উল্লাহ, জানালেন চার দশক আগের স্মৃতি

ঢাবিতে তারেক রহমানের ভর্তি দেখেছিলেন ওয়ালী উল্লাহ, জানালেন চার দশক আগের স্মৃতি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩১ ১৬ মে ২০২৬

আশির দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় দেশের অন্যতম আলোচিত কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আন্দোলন, মিছিল ও রাজনৈতিক উত্তেজনার সেই সময়ের একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ নতুন করে আলোচনায় এনেছেন নোয়াখালীর হাতিয়া কলেজের শিক্ষক মো. শাহ ওয়ালী উল্লাহ।

নিজের স্মৃতিচারণে তিনি দাবি করেন, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম চলাকালে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারের অপেক্ষায় থাকার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। কৌতূহলবশত সেগুলো হাতে নিয়ে দেখেন, সেখানে ভর্তি-সংক্রান্ত নথি, শিক্ষাগত সনদ ও নম্বরপত্র রয়েছে।

ওয়ালী উল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, নথিতে থাকা নাম ও পরিচয় দেখে তিনি প্রথমে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর একজন তরুণকে উদ্বিগ্নভাবে একটি ফাইল খুঁজতে দেখেন। পরে কাগজপত্র মিলিয়ে তিনি ফাইলটি ওই তরুণের হাতে তুলে দেন। তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে বুঝতে পারেন সেই তরুণ ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্মৃতিচারণে তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিটির চেহারার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর মিল দেখে তার ধারণা আরও দৃঢ় হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান।

ওয়ালী উল্লাহ সেই সময়কার বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন। তার মতে, সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের কারণে ক্যাম্পাসে প্রায়ই উত্তেজনা বিরাজ করত। নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচি, সংঘর্ষ ও অস্থিরতায় শিক্ষাজীবন ছিল বেশ ঘটনাবহুল।

সম্প্রতি এক আলোচনায় তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর তিনি পুরোনো এই স্মৃতির প্রসঙ্গ সামনে আনেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের শিক্ষাজীবনের পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে নিশ্চিত নন, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ঘটনাটি নিজের দেখা বলে দাবি করেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট মহল থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ওয়ালী উল্লাহর এই স্মৃতিচারণ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

চার দশক আগের সেই হারিয়ে যাওয়া ফাইলের গল্প এখন যেন শুধু একটি ঘটনার স্মৃতি নয়, বরং উত্তাল সময়ের এক টুকরো মানবিক অভিজ্ঞতা হিসেবেও সামনে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/