• শনিবার , ১৫ আগস্ট, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে মাছের ঘেরে মুরগির বিষ্ঠা প্রয়োগে ৫০ হাজার, অবৈধ মাটি কাটায় ১ লাখ টাকা জরিমানা

কেশবপুরে মাছের ঘেরে মুরগির বিষ্ঠা প্রয়োগে ৫০ হাজার, অবৈধ মাটি কাটায় ১ লাখ টাকা জরিমানা

জাকির হোসেন: কেশবপুর প্রতিনিধি
জাকির হোসেন: কেশবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৫:৫৪ ২০ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় জনস্বাস্থ্য ও কৃষিজমি রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পৃথক দুটি অভিযানে মাছের ঘেরে মুরগির বিষ্ঠা প্রয়োগ এবং কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পোল্ট্রি মুরগির বিষ্ঠা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে উৎপাদিত মাছ বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯ জানুয়ারি কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা গ্রামের মতিয়ার রহমানের মালিকানাধীন একটি মাছের ঘেরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই ঘেরে মুরগির বিষ্ঠা প্রয়োগ করা হচ্ছিল, যা আগে থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘেরের ম্যানেজার দেবাশীষ রায়কে মুরগির বিষ্ঠাসহ হাতেনাতে আটক করেন।

পরবর্তীতে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মৎস্য খাদ্য ও পশু খাদ্য আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঘের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

এদিকে, এর আগের দিন ১৮ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে কেশবপুর উপজেলার গোলাঘাটা গ্রামে আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়। কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোনা খাতুনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। অভিযানে কাজী হারুন নামের এক ব্যক্তিকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩) অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সেটিও আদায় করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, জনস্বাস্থ্য ও কৃষিজমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে এবং ভবিষ্যতেও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন