• শনিবার , ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৫ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন ইবির আইসিটি গবেষক দলের

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৫ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন ইবির আইসিটি গবেষক দলের

তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৫:৫২ ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের একটি গবেষক দল আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্যের নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। তারা রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ১৫টি দেশের ২৮৬টি উপস্থাপিত গবেষণা প্রবন্ধের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। সম্মেলনটি ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারি তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।

মোট ৯৯৩টি প্রবন্ধ জমা পড়ার পর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩৩৫টি প্রবন্ধ নির্বাচিত হয় এবং ২৮৬টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, জার্মানি, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া সহ আরও ১৫টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ইবির আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রথম স্থান অর্জন করে দেশের স্বপ্ন জাগানো কৃতিত্ব দেখান।

গবেষণা দলের সদস্যরা হলেন: সৌরভ চক্রবর্তী, মাহফুজুর রহমান ও আহসান হাবিব, যারা প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন-এর তত্ত্বাবধান ও প্রফেসর ড. শিপন মিয়া এবং এএফএম শাহাব উদ্দিন-এর দিকনির্দেশনায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তাদের গবেষণার বিষয় ছিল: “ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমন্বিত মাল্টিমোডাল ডিপ লার্নিং পদ্ধতির মাধ্যমে ব্রেইন স্ট্রোক শনাক্তকরণ ও শ্রেণিবিন্যাসের নির্ভুলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি”। এটি স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর প্রয়োগে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গবেষণা দলের সদস্যরা জানান, ভবিষ্যতে নতুনত্ব ও উদ্ভাবন দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে হলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিষয় নির্ধারণ করে সর্বোচ্চ জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কর্মশালার আয়োজনের ক্ষেত্রে আরও উদ্যোগ নিলে শিক্ষার্থীরা আরও সমৃদ্ধ হবে।

ইবি’র এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও গবেষণা শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিজ্ঞাপন