• শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ | ৮ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের জামাতার গোপন তহবিল ও অভিযানের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

ট্রাম্পের জামাতার গোপন তহবিল ও অভিযানের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২১ ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের আইফোন হ্যাক করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে গোপন আর্থিক লেনদেন ও তহবিলের চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচন করেছে নেদারল্যান্ডসের গোয়েন্দা সংস্থা। মার্কিন সাময়িকী নিউ রিপাবলিকের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কুশনার বিপুল অঙ্কের গোপন অর্থ স্থানান্তর ও সমান্তরাল গোয়েন্দা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কুশনারের আইনজীবী।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সৌদি আরব ও ইসরায়েলের সহায়তায় প্রায় ৭৫ কোটি বা ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ গোপন তহবিল গড়ে তোলা হয়েছিল। দুবাই ফার্স্ট ব্যাংকে রক্ষিত এই তহবিলের অন্যতম প্রধান অনুমোদনকারী বা স্বাক্ষরকারী ছিলেন খোদ জ্যারেড কুশনার।

ওই ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আজারবাইজান হয়ে অর্থ স্থানান্তর এবং গোপন বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হতো। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, কুশনারকে এমন বিশেষ আর্থিক বা গোয়েন্দা ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কোনো ধারণাই ছিল না।

অনুসন্ধানে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়, ২০১৮ সালের দিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিশেষ পরামর্শে সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইসরায়েলে কুশনারের ব্যবহারের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের আরেকটি বন্দোবস্ত রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সাইপ্রাসের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ ওঠানো হতো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্পের বিশেষ দূত থাকাকালে কুশনার প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার সমপরিমাণ আর্থিক সুবিধা পেলেও বিদেশি প্রতিনিধি হিসেবে মার্কিন কর বিভাগ বা অন্য কোনো তদারকি সংস্থার কাছে এসবের কোনো হিসাব দেননি।

যদিও এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন কুশনারের আইনি প্রতিনিধি। তার দাবি, এ ধরনের কোনো গোপন তহবিল বা ব্যাংকিং সুবিধার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টিকে অসত্য বলে নাকচ করে দিয়েছেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড এম ফ্রিডম্যান।

বিজ্ঞাপন