• রবিবার , ০৩ মে, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফাইবার-অপটিক ড্রোনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল উত্তেজনায় ভিন্ন মাত্রা

ফাইবার-অপটিক ড্রোনে নতুন চ্যালেঞ্জ: হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল উত্তেজনায় ভিন্ন মাত্রা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:০৪ ৩ মে ২০২৬

দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান উত্তেজনায় যুক্ত হয়েছে নতুন প্রযুক্তির হুমকি। ‘ফাইবার-অপটিক ড্রোন’ নামে পরিচিত এক ধরনের উন্নত ড্রোন ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে তৈরি হয়েছে নতুন চ্যালেঞ্জ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই ড্রোনগুলো প্রচলিত রেডিও সিগন্যালের পরিবর্তে একটি সরু ফাইবার-অপটিক কেবলের মাধ্যমে অপারেটরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ফলে ড্রোন থেকে কোনো ওয়্যারলেস সিগন্যাল নির্গত হয় না, যা ইসরায়েলি বাহিনীর ইলেকট্রনিক জ্যামিং ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিচ্ছে।
এ প্রযুক্তির ফলে অপারেটররা প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে ড্রোনের ক্যামেরায় সরাসরি ও স্পষ্ট দৃশ্য দেখতে পারেন এবং নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেই নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হন।
সম্প্রতি দক্ষিণ লেবাননে এ ধরনের ড্রোন হামলায় ১৯ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার লক্ষ্য করেও পরবর্তী আক্রমণ চালানো হয় বলে জানা গেছে, যা পরিস্থিতির জটিলতা আরও বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনগুলো মূলত বিদেশ থেকে সংগ্রহ করে পরে স্থানীয়ভাবে বিস্ফোরক সংযুক্ত করা হয়েছে। একই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও দেখা গেছে, যেখানে এটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী স্বীকার করেছে যে, এ ধরনের ড্রোন মোকাবিলায় তাদের কাছে এখনো কার্যকর কোনো প্রযুক্তিগত সমাধান নেই। ফলে আপাতত জাল বা অন্যান্য ভৌত প্রতিবন্ধকতার ওপর নির্ভর করেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।
নতুন এই প্রযুক্তির ব্যবহারে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/