• সোমবার , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেহরানের ‘অব্যবহৃত কার্ড’ ইস্যুতে নতুন আলোচনা: অর্থনৈতিক শক্তির লড়াইয়ে ইঙ্গিত ইরানের

তেহরানের ‘অব্যবহৃত কার্ড’ ইস্যুতে নতুন আলোচনা: অর্থনৈতিক শক্তির লড়াইয়ে ইঙ্গিত ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:২৩ ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের আধিপত্যের ধারণা পুরোপুরি বাস্তবসম্মত নয়; বরং তেহরানের হাতে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ‘কার্ড’ অব্যবহৃত রয়েছে।

রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কৌশলকে তুলনামূলকভাবে ব্যাখ্যা করেন। তার মতে, ইরানের শক্তির মূল ভিত্তি সরবরাহনির্ভর-বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেল পরিবহন পাইপলাইন নেটওয়ার্ক। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চাহিদা-নিয়ন্ত্রণভিত্তিক কৌশলের ওপর নির্ভর করছে, যেমন কৌশলগত মজুত থেকে তেল সরবরাহ, জ্বালানির চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।

গালিবাফের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে তার বেশ কিছু অর্থনৈতিক হাতিয়ার ব্যবহার করেছে বা আংশিক প্রয়োগ করেছে। বিপরীতে, ইরান এখনো তার কিছু বিকল্প কৌশল প্রয়োগ করেনি, যা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, “সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড-এই প্রতিযোগিতাই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি।”

ইরানের সম্ভাব্য কৌশলের মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে ব্যবহৃত হলেও বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও পাইপলাইন সংক্রান্ত বিকল্প এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়া এবং চাহিদা নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে।

গ্রীষ্মকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে-এই বিষয়টিও উল্লেখ করে গালিবাফ বলেন, এই সময়ের চাপ সামলানো ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের এই অর্থনৈতিক কৌশলগত অবস্থান ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/