• শনিবার , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদের বোতল হাতে ইবি শিক্ষকের ভিডিও ভাইরাল

মদের বোতল হাতে ইবি শিক্ষকের ভিডিও ভাইরাল

মদের বোতল হাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষককে কুষ্টিয়া শহর ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম শোয়েব। এতে ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে।  

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) 'ফারাবী হাসান' নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ১৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক শোয়েব একটি পলিথিন ব্যাগে মদের বোতল নিয়ে রাস্তা দিয়ে দ্রুতার সাথে হেঁটে যাচ্ছেন। এসময় পিছন থেকে কেউ ভিডিও ধারণ করছে।

ভিডিওর ক্যাপশনে লেখেন, মদের বোতল হাতে কুষ্টিয়া শহরে ঘুরে বেরাচ্ছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শোয়েইব৷ এই মাস্টার দিনের বেশি সময় টাল থাকে। ছাত্রদের  সাথেও বসে নেশা করে৷ ক্যাম্পাসের পাশের মেথর পটি থেকেও বাংলা আনতেও দেখা যায়। 
রাত ১২/১ টার পর রাফেলের দোকানে তাকে দেখা গেলেও পাশে বসা যায় না। এত্ত পরিমাণে মাল খেয়ে টাল হয়ে থাকা। জয় গুরু।

পরে বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে তা ছড়িয়ে পড়ে। 'University Update' নামক এক ফেসবুক পেইজে তা শেয়ার করা হলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে য়ায়।

উক্ত পেইজের ক্যাপশনে লেখেন, ম*দে*র বো*ত*ল হাতে কুষ্টিয়া শহরে ঘুরে বেরাচ্ছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শোয়েইব৷ এই মাস্টার দিনের বেশি সময় টাল থাকে। ছাএদের  সাথেও বসে নেশা করে৷ ক্যাম্পাসের পাশের মেথর পটি থেকেও বাংলা আনতেও দেখা যায়। জয় গুরু।

এতে আলিবুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হোক এবং আইনগত ব্যবস্থা নেও আমির হামজা সাহেব ঠিকই বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে মদ দিয়ে কুলি করে।

সাইফুক ইসলাম লেখেন, উনার শিক্ষক সুলভ আচরন কোনো দিন পাইনি।

সাইফুল বিশ্বাস লেখেন, আসলে এগুলো একটু খারাপই দেখায়,তবুও মানুষের পার্সোনাল লাইফ বলে তো কিছু একটা আছে,তার জীবনটা হয়ত কোন ঘটনায় এলোমেলো হয়ে গেছে। তবে বেশ কয়েকবছর ধরে তার এ সমস্ত কর্মকান্ডের কথা শুনছি,শিক্ষক হিসেবে তার উচিৎ এগুল বাদ দেওয়া না হয় খুব গোপনে করা,,,

আশিক ফয়সাল লেখেন, মদের বোতল হাতে নিয়ে সে কারোর যাপিত জীবনে হস্তক্ষেপ করতেছেনা!! এই যেমন আপনারা ফোন হাতে এর ওর কর্মকান্ডের ছবি তোলা বা ভিডিও করায় ব্যস্ত!! এইসব না করে নিজের জীবনের প্রতি মনোযোগ দেন!!

এই বিষয়ে জানতে ঐ শিক্ষকের সাথে দুইদিনে একাধিকবার অফলাইন, অনলাইনে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই। তবে কেউ যদি জানায় তাহলে বিভাগে একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এমনটি হলে দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬ টি বিভাগ আছে। এসব ঘটনায় অন্যরা তো শিক্ষার্থীদেরকে ছোট করবে। 

বিজ্ঞাপন