• বৃহস্পতিবার , ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ | ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে মোহাম্মদ উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের অভিযোগ

নড়াইলে মোহাম্মদ উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের অভিযোগ

শাকিল আহমেদ: নড়াইল প্রতিনিধি
শাকিল আহমেদ: নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:৪৯ ২২ অক্টোবর ২০২৫

নড়াইল সদর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ উল্লাহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে চিহ্নিত কতিপয় ভূমিদস্যু ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে মিথ্যা প্রেক্ষাপটে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, সংবাদগুলো সত্যতা যাচাই-বাছাই না করে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ উপভোগযোগ্য নয়।

উল্লাহ বলেন, নড়াইলের ১০০ নং উজিরপুর মৌজার যে ০.০৪৮৭ শতক জমি—তার কাগজপত্র সম্পূর্ণ আছে। তিনি টেকনোক্যাল ও রেজিস্ট্রি দলিলের রেকর্ড বর্ণনা করে জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে কবলা দলিল নং ৬৩৭৬ (জমির পরিমাণ ০.০৮৭ শতক) এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে কবলা দলিল নং ৮৯২৪ (জমির পরিমান ০.০৪ শতক) অনুযায়ী তিনি উক্ত ভূমি বাজারমূল্যে কিনে নড়াইল সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নামজারি করেছেন। পরে ৮ অক্টোবর ২০২৪ ও ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে নামজারির জন্য পৃথক আবেদন করে ০.০৪৮৭ শতক অংশ নিজ নামে নামজারি করেছেন—যার খতিয়ান ও দাগ নম্বরও তিনি উল্লিখিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত উক্ত জমির খাজনা পরিশোধ করেছেন এবং নিজের ক্রয় করা জমির কোনো গাছ অন্য কারো জমিতে কেটেছেন না। মোহাম্মদ উল্লাহ দাবি করেন, এসব মিথ্যা সংবাদ ছড়ানোর পিছনে আয়োজিত ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে কুড়িগ্রামের অলোক কুন্ডু নামের এক ব্যক্তি প্রধান ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, অলোক কুন্ডু জালিয়াতির মাধ্যমে ধোপা খোলা গ্রামের জনৈক তপন কুমার বিশ্বাস নামে একজনের নাম জাল করে ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি দলিল মুলে ৪০ শতক জমি দখল করেছে—যদিও অভিযুক্ত তপন কুমার দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবস্থান করছে। সে সময় আঞ্চলিক পত্রিকা ও সংবাদমাধ্যমে সেই ঘটনা দেখানো হয়েছিল; কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহারে অভিযুক্ত বেঁচে গিয়েছিলেন বলে মোহাম্মদ উল্লাহ অভিযোগ করেন।

তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পূর্বে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া উচিত ছিল। আমার কাছে জমির সকল দলিল রয়েছে; ইচ্ছা করলে কেউ দেখতে পারে।”

সংবাদে ব্যবহৃত কিছু কটুক্তি ও অভিযোগ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ উল্লাহ পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, তিনি কাউকে জমি জবরদখল করেননি, এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোনো পক্ষ থাকলে আইনি পথে দাবি তুলতে পারেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নৈকট্যপূর্ণ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের জন্য অনুরোধও জানান।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/