• শনিবার , ০১ আগস্ট, ২০২৬ | ১৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ব্যতিক্রমী বিতর্ক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ব্যতিক্রমী বিতর্ক

তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:১০ ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

‘সাংস্কৃতিক লড়াই পারে আধিপত্যবাদ রুখতে’ শীর্ষক স্মৃতি বিতর্ক অনুষ্ঠিত

ইনক্বিলান মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বিতর্ক–২০২৬’। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্পাসের সাদ্দাম হল সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এই ব্যতিক্রমী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

‘সাংস্কৃতিক লড়াই পারে আধিপত্যবাদ রুখতে’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত বিতর্কে সরকারি দলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মিশুক শাহরিয়ার। তার সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে ছিলেন আজমেরী রহমান এবং সাংসদ হিসেবে তানিম তানভীর। অপরদিকে বিরোধী দলের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে অংশ নেন শান্ত শিশির। তার সঙ্গে উপনেতা হিসেবে ছিলেন তাসলিমা আরেফিন অথি এবং সাংসদ হিসেবে ছিলেন মুশফিকুর রহমান শাওন।

বিতর্কের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন তাজমিন রহমান। উভয় পক্ষই তাদের নিজ নিজ অবস্থানের পক্ষে তথ্যনির্ভর ও যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রাণবন্ত যুক্তিতর্ক, পাল্টা প্রশ্ন ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিতর্কটি দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উভয় দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়মাতুল্লাহ মুনিম, ইবি প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক সাকিব আসলাম এবং সাবেক সহ-সমন্বয়ক তানভীর মন্ডল। এছাড়াও বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, শহীদ ওসমান হাদির আদর্শ ও চিন্তাধারাকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতেই এই স্মৃতি বিতর্কের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তা, সাংস্কৃতিক সচেতনতা ও প্রতিবাদী চেতনা জাগ্রত করতে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন