• মঙ্গলবার , ১৬ জুন, ২০২৬ | ২ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থের অভাবে মাকে বিশ্বকাপের মঞ্চে আনতে না পেরে কাঁদলেন ভোজিনহা

অর্থের অভাবে মাকে বিশ্বকাপের মঞ্চে আনতে না পেরে কাঁদলেন ভোজিনহা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:২৮ ১৬ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপে অভিষেকেই ইতিহাস গড়েছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। শক্তিশালী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে দলের নায়ক হয়ে উঠলেও ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। চোখের জলে ভেঙে পড়েন এই গোলরক্ষক।

ভোজিনহার কান্নার পেছনে ছিল এক কষ্টের গল্প। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজের সাফল্যের মুহূর্তে পাশে ছিলেন না তার মা। অর্থের অভাব ও ভিসা জটিলতার কারণে মাকে সঙ্গে আনতে পারেননি তিনি।

ম্যাচ শেষে ভোজিনহা বলেন, “ম্যাচের পর আমি কেঁদেছিলাম। কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। কিন্তু তারা আজ এখানে থাকতে পারেননি। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি—ভিসা জটিলতা এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের কারণে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়মতো সবকিছু সম্পন্ন করতে পারিনি।”

স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ভোজিনহা কেপ ভার্দের ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। পুরো ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে তিনি দলকে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট এনে দেন।

তার পারফরম্যান্স ও আবেগ ফুটবল বিশ্বের মানুষের মন ছুঁয়ে গেছে। বিবিসির বিশ্লেষক ও সাবেক স্কটিশ ফুটবলার প্যাট নেভিন বলেন, “পুরো ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন ভোজিনহা। ৪০ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে তিনি যা দেখিয়েছেন, তা অবিশ্বাস্য।”

সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সনও ভোজিনহার কান্নায় আবেগাপ্লুত হন। তিনি বলেন, “আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধু তাদের।”

স্পেনকে রুখে দিয়ে ভোজিনহা শুধু মাঠের নায়কই হননি, তার সংগ্রাম ও আবেগের গল্পও বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/