• শুক্রবার , ০১ মে, ২০২৬ | ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নেপালে জেন-জি সরকার, কারণ সেখানে ঢাবি নেই’ রাকসু জিএসের পোস্টে তোলপাড়

‘নেপালে জেন-জি সরকার, কারণ সেখানে ঢাবি নেই’ রাকসু জিএসের পোস্টে তোলপাড়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:১৫ ৭ মার্চ ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক Salahuddin Ammar-কে নিয়ে। তিনি মন্তব্য করেছেন, Nepal-এ গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণ নেতারাই সরকার গঠন করতে পেরেছেন, কারণ সেখানে University of Dhaka-এর মতো ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ নেই।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত প্রায় ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে তিনি ঢাবির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, অনেকেই হয়তো তার কথার সঙ্গে একমত হবেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের পর বিভিন্ন ব্যক্তি কে কাকে আশ্রয় দিয়েছেন, কে কাকে সহায়তা করেছেন বা মোবাইল কিনে দিয়েছেন—এসব বিষয় নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক ও বিভাজন তৈরি হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আম্মার আরও বলেন, সে সময় তিনি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার অভিযোগ, জাতীয় পর্যায়ের অনেক নেতাই তখন ভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জোরালোভাবে ওই দাবির পক্ষে আওয়াজ তোলার সুযোগ তৈরি হয়নি।

পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বড় বাজেটের সাংস্কৃতিক আয়োজন হয়েছে। অথচ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কর্মসূচির প্রস্তাব নিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তেমন সাড়া পাননি। এতে নিজেকে উপেক্ষিত মনে করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, হয়তো তার একমাত্র ‘ভুল’ ছিল যে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাননি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময় অনেককে মূল্যায়ন করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফ্যান-ফলোয়ারের ভিত্তিতে, যোগ্যতা বা অবদানের ভিত্তিতে নয়।

পোস্টের শেষদিকে নেপালের তরুণ নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে রাকসুর জিএস বলেন, ভবিষ্যতে অভ্যুত্থানের নেতারা যে রাজনৈতিক দলই গঠন করুক না কেন, সেটিই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হবে। তবে অতীতে যেসব সময়ে মানুষের প্রকৃত অবদান উপেক্ষা করা হয়েছে, সেসব সময়কেই তিনি বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে উল্লেখ করেন।

তার এই মন্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার বক্তব্যকে বাস্তবতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন, আবার কেউ এটিকে বিতর্ক উসকে দেওয়ার মতো মন্তব্য হিসেবেও দেখছেন।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/