গাজায় প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরও যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প


প্রকাশিত: ০৩:৩৬ ২০ অক্টোবর ২০২৫
গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪৫ জন নিহত হওয়ার পরও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষায়, “গাজায় যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর আছে।”
রোববার (১৯ অক্টোবর) এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলার পরও দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে। তিনি জানান, ইসরায়েলের এই সাম্প্রতিক অভিযান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জবাবে নয়, বরং কিছু “বিদ্রোহী হামলাকারীর” কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবে হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের সৈন্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল, যার জবাবে গাজায় হামাসের অবস্থানে তারা অভিযান চালায়। তবে পরে আবারও যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়েছে। ইসরায়েলের এই হামলায় গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত সিভিল ডিফেন্স সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, হতাহতের খবর তারা এখনো যাচাই করছে।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এই যুদ্ধবিরতি শান্তিপূর্ণভাবেই চলবে। হামাসের নেতৃত্ব হয়তো এই হামলায় সরাসরি জড়িত নয়, বরং কিছু বিদ্রোহী এতে জড়িত থাকতে পারে।”
তিনি আরও জানান, তাঁর মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখনো কার্যকর রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাস্তবায়নে নজর রাখছে।
এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, গাজায় সাম্প্রতিক সহিংসতা ‘খুব বড় কিছু নয়’, বরং যুদ্ধবিরতির একটি “স্বাভাবিক ওঠানামা”। ভ্যান্স বলেন, “এটা টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ সুযোগ তৈরি করেছে, তবে এখনো উত্থান-পতন থাকবে। আমাদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।”
উল্লেখ্য, দীর্ঘ দুই বছরের ভয়াবহ যুদ্ধের পর গত ১০ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলা চালালে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় গাজায় ব্যাপক অভিযান চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে ৬৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং গাজার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত এই শান্তিচুক্তিতে বন্দী ও জিম্মি বিনিময়, গাজা পুনর্গঠন এবং হামাসকে নিরস্ত্র করার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।
ভ্যান্স বলেন, “হামাসকে নিরস্ত্র করার জন্য পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে একটি নিরাপত্তা কাঠামো গঠন করতে হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি।”
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরায়েল সফর করবেন বলেও জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স। তবে ওই কর্মকর্তার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- দেড় মাসের সন্তান নিয়ে কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী
- ইরান যুদ্ধে ৪০ দিনে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত
- ইসরায়েলি বাহিনীকে ‘বিশ্বের নিকৃষ্টতম’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত
- একই দিনে জন্ম, একই দিনে পরীক্ষা-ঠাকুরগাঁওয়ের তিন বোনের অসাধারণ যাত্রা
- এসএসসি পাশেই পুলিশের এএসআই পদে নিয়োগ
- ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে সাবেক মার্কিন সেনাসহ গ্রেপ্তার ৬২ জন
- এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- অসদাচরণের অভিযোগে পদত্যাগ ট্রাম্পের মন্ত্রীর, নতুন বিতর্কে প্রশাসন
- আলোচনায় বসার আহ্বান, নইলে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি, ইরানকে ট্রাম্পের বার্তা
- যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনাগ্রহ ট্রাম্প, চুক্তি না হলে ফের হামলার আশঙ্কা
- জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসে নতুন সূচি: তিন দিন অফিস, দুই দিন বাসা থেকে কাজ
- নদীতে টাকার বস্তা ভাসার ছবি ভাইরাল, শেষে জানা গেল আসল সত্য
- পোপ লিওকে আক্রমণ ট্রাম্পের, “আমি এই পোপের একদমই ভক্ত নই”
- কালোবাজারির দিন শেষ: সব গাড়ির জন্য আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’!
- শোবিজ ছাড়ার পর নতুন জীবন,এবার বিয়ের পিঁড়িতে সিমরিন লুবাবা
- আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা
- যুক্তরাষ্ট্রে হাতুড়ির আঘাতে বাংলাদেশি নারী হত্যা, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
- শিমুলতলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, হয়রানির অভিযোগে ক্ষোভ
- ১০,০০০ কিলোমিটারের ICBM মিসাইল প্রস্তুত, ইরানের টার্গেট এবার সরাসরি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র
- দৌলতদিয়ায় শিশুসহ ৫০+ যাত্রী নিয়ে বাস পদ্মায়, বহু হতাহতের আশঙ্কা





