• শুক্রবার , ১৩ মার্চ, ২০২৬ | ২৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম বাদ পড়ায় ইবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ

মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম বাদ পড়ায় ইবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ

তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
তানিম তানভীর: কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:০১ ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রশাসনের আয়োজিত মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর নাম উল্লেখ না করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি, বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগ, আবাসিক হল, শাখা ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব আশরাফ উদ্দিন খান মোনাজাত পরিচালনা করেন। তবে মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না হওয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানান এবং পুনরায় মোনাজাতের দাবি তোলেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এটি ইচ্ছাকৃত হতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। ইমাম সাহেব ভুলবশত নামটি উল্লেখ করতে পারেননি। পরে ছাত্রদল প্রতিবাদ জানালে তিনি ভুল স্বীকার করে পুনরায় মোনাজাত পরিচালনা করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী বলেন, দোয়ার আগে তিনি খতিবকে জিয়াউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য দোয়া করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি মানবিক ভুল হতে পারে এবং বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্কের প্রয়োজন নেই। ছাত্রদের প্রতিবাদের পর পুনরায় দোয়া করা হয়।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইটের সঙ্গে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে বলেও জানা গেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কোনো বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়নি।

 

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/