প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ

প্রকাশিত: ০২:৫৬ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া ইউনিয়নের আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।গত ২৮ আগষ্ট বুধবার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছে এলাকাবাসী।
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন যাবৎ আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ের রেজাল্ট থেকে শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সুনামের সাথে চলছিল কিন্তুু বর্তমান প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ যোগদান করার পর থেকেই এই বিদ্যালয়ের দূর্নীতি শুরু হয়।
আজাদ স্যার তার নিয়োগ এই স্কুলে নেয় ১৫ লক্ষ টাকার মাধ্যমে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে এই শিক্ষক। তার দুর্নীতিতে সহায়তা করেছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি। বিগত কয়েক বছর হতে এই বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী পদে ১২ লক্ষ টাকা, পিয়ন পদে দুইজন ১২ লক্ষ টাকা, নৈশ্য প্রহরী পদে ৫ লক্ষ টাকা, আয়া পদে ৩ লক্ষ টাকা, ল্যাব সহকারী পদে ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ হয়েছে।
গত ৮ বছরে বিদ্যালয়ের সেশন চার্জের টাকা, পরীক্ষার ফ্রি, বেতন বাবদ তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা আদায় হয়। আদায়কৃত টাকার ৪০% সাধারণ তহবিলে জমা হয়। বাদ বাকী টাকা হাতে রেখে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতির সহয়তায় প্রধান শিক্ষক ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে। সাধারণ তহবিল হতে পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতির সহায়তায় প্রধান শিক্ষক রেজিষ্ট্রার ব্যবস্থাপনার নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করেই টাকা উত্তোলন করেছেন। অতীতে সরকারী উপবৃত্তি যথাযথভাবে প্রদান করা হয়নি। টিউশন ফি, জরিমান আদায় ও সার্টিফিকেট বাবদ টাকা সাধারণ তহবিলে জমা হয় না।
তিনি অতীতে বাবদ অতিরিক্ত টাকাসহ বিদ্যালয়ের ভবনের গাইড ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প থেকে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁ গেছে। তাই আমাদের এলাকাবাসীর দাবী এই প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে প্রত্যাহার করে বিদ্যালয়কে রক্ষা করতে হবে। শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে হবে।
এ বিষয়ে জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, সারা জেলায় একই অবস্থা, আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত করে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - দেশজুড়ে
- ক্যারিয়ার, বিয়ে ও সন্তান নিয়ে বিশের শেষ দিকে এত মানসিক চাপ কেন?
- জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা
- খোকসায় পুলিশের অভিযানে জাকির হাসান মাসুদসহ ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার
- এনসিপির জাতীয় নারীশক্তির নতুন আহ্বায়ক মাহমুদা মিতু
- লাল কার্ডের পর প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি নেইমারের
- বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে টম ক্রুজের ‘ডিগার’, বড় লোকসানের শঙ্কা
- ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে লাখো মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার
- রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি চালানো অশুভ সংকেত: ওমর সানী
- স্বামীর আলিঙ্গনে ভেঙে গেল স্ত্রীর ৫টি পাঁজর, নেপথ্যে ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু

